সোনারগাঁয়ে গার্মেন্টস কর্মীকে গণধর্ষণের অভিযোগ \ ৫ জন গ্রেফতার

0
11

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় এক গার্মেন্টস কর্মীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণের অভিযোগে ৫ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদি হয়ে মঙ্গলবার থানায় একটি মামলা করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবাওগাঁ গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে আবু সাঈদ (২৫), একই গ্রামের রেহাজ উদ্দিনের ছেলে ইমরান মিয়া (২৩), নবী হোসেনের ছেলে রনি মিয়া (২০), আবু সিদ্দিক মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (৩২) ও বাগবাড়িয়া গ্রামের ভুট্টো মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া (২২)। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্রাহ্মণবাওগাঁ গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে আরিফ (১৯) ও মৃত সামসুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর (২৮) এখনও পলাতক রয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, রূপগঞ্জ উপজেলার রবিন টেক্স গার্মেন্টস থেকে সোমবার ছুটি শেষে ধর্ষিতা তার বাড়ি গাউছিয়া উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিতে উঠেন। ওই সিএনজিতে আগে থেকেই জাহাঙ্গীর হোসেন বসা ছিল। পরে সিএনজিটি গাউছিয়া পৌঁছানোর পর ধর্ষিতা নেমে যাওয়ার জন্য চালককে থামাতে বললে জাহাঙ্গীর হোসেন বাধা দেয়। এসময় ধর্ষিতা ডাক চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে তার মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দিয়ে জোরপূর্বক সোনারগাঁয়ের তালতলা এলাকায় ব্রাহ্মনবাওগাঁ গ্রামের হালিম মিয়ার বাড়িতে এনে রাতভর জাহাঙ্গীর হোসেন, আবু সাইদ, আরিফ হোসেন, ইমরান মিয়া, রনি মিয়া, আবুল হোসেন ও মাসুদ মিয়া তাকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। পরে রাত ৩টায় বাড়ির মালিক হালিম কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পর এ ঘটনা দেখে ধর্ষকদের মেয়েটিকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু ধর্ষকরা রাজি না হওয়ায় হালিম মিয়া আশপাশের লোকজনের সহায়তায় সোনারগাঁয়ের তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে খবর দিলে ধর্ষকরা টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সোনারগাঁয়ের তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক আহসান উল্লাহ জানান, গার্মেন্টস কর্মীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ ৫ ধর্ষককে গ্রেফতার করে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

LEAVE A REPLY