শামীম ওসমানের কঠোর হুশিয়ারীতে নাঃগঞ্জে অসাধু ব্যাবসায়ীরা পালাতে শুরু করেছে!

0
30

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা ভাইরাস ইস্যুতে নিত্য পণ্যদ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এক প্রেসবিফ্রিং এ সাংবাদিকদের পশ্নের উত্তরে ৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন আপনারা তথ্য দিন প্রয়োজনে দলমত নির্বিশেষে বাজারে নামবো।
গতকাল জুম্মা নামাজ আদায়ের পূর্বে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের অন্যতম কান্ডারী সাংসদ এ কে শামীম ওসমান সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে করোনা ভাইরাসে যে সকল ব্যবসায়ীরা চড়া দামে নিত্যপন্য সামগ্রী বিক্রি করছেন সেই সকল অসাধু ব্যাবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে ব্যাক্তি ১ টাকার যায়গায় একলাখ টাকা মুনাফা করলেন কালকে যদি উনার পরিবারে এই রোগ আক্রান্ত হয় তখন এই মুনাফা কি কাজে লাগবে? তাই আমি অনুরোধ করবো এখন মুনাফার সময় নয়, দানের সময়। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনার তথ্য দিন রিপোর্ট দিন প্রয়োজনে দরকার হলে দলমত নির্বিশেষে আমরা বাজারে যাবো,বাজারো নামবো এবং যারা মুল মুনাফা খোর,সুদখোর এবং যারা মানুষের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে এই ধরনের ব্যবসায় মুনাফা করার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবো।

আর জনগণকে বলবো প্যানিক হওয়ার কোন কারণ নেই,এই ধরনের ইস্যুতে মানুষ যখন জিনিস কিনা শুরু করে দেয় এই সকল ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিবেই। বাংলাদেশ সরকার যথেষ্ঠ শক্তিশালী সরকার,খাদ্যের যথেষ্ট মজুত আছে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যদি হায়াতে তৈয়বা দান করেন ইনশাল্লাহ একটা মানুষও না খেয়ে মরবেনা। ৯৮ সালের বন্যাও আমরা দেখিছি আড়াই মাস পানি বন্ধি ছিলাম মানুষ না খেয়ে মরে নাই, ইনশাল্লাহ আল্লাহর যদি হুকুম হয় এই ভাইরাসে আমাদের কোন লোক না খেয়ে তো মরবেনা বিনা চিকিৎসাও মরবেনা সেই ব্যবস্থা সরকার করছেন। শামীম ওসমানের এই কঠোর হুসিয়ারীতে কিছুটা হরেও প্রভাব পরেছে অসাধু ব্যবসায়ী মহলে, যা পাইকার বাজার ঘুরে জানা যায় বর্তমান দাম যাচাই বাছাই করে।

এদিকে শনিবার ২১ মার্চ বিকেলে প্রশাসনের একটি টিম (ডিবি পুলিশ) ডিগবাবুর বাজার নিত্য পণ্য সামগ্রির দাম মনিটরিং করেন। সাধারণ ভোক্তারা জানিয়েছেন সব ধরনের জিনিস পত্রের দাম বেড়ে গেছে,অন্যদিকে পাইকাররা দোষারোপ করছেন খুচরা বিক্রেতাদের আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন পাইকাররা দাম না কমালে আমরা কিভাবে কম দামে সামগ্রী বিক্রি করবো। পাইকার আর খুচরা বিক্রেতাদের কানামাছি খেলাই ভুক্তভোগী হচ্ছে সাধারণ ভোক্তারা। তবে ভোক্তারা দাবি করেছেন প্রতিনিয়ত কাচাঁবাজার আর চাউলের আড়তে ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতি থাকলে অসাধু সিন্ডিকেটরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে তাই জনসার্থে এই কার্যক্রম বহাল অতি জরুরী বলে মনে করেন নাঃগঞ্জের সাধারণ ভোক্তারা।

LEAVE A REPLY