নাঃগঞ্জে বহুগুনেগুনান্মিত ফতুল্লার জুয়েল প্রধান!

0
22

এম আর দিপু: কোভিড-19 করোনা ভাইরাস মোকাবেলার এক অন্যন্য দৃষ্টিস্থাপনকারী যিনি একদিকে শিক্ষানুরাগি অন্যদিকে সমাজসেবক তিনি সকলের পরিচিতমুখ কাশীপুর কিন্ডার কার্টেন এন হাই স্কুলের পরিচালক মোহাম্মদ জুয়েল প্রধান । ইতিমধ্যে তিনি কোভিড -19 করোনাভাইরাস মোকাবেলায় অত্র অঞ্চলে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে খাবার সামগ্রী বিতরণ করেছেন পরাপর কয়েকবার ।
এছাড়া তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কাশিপুরের যেখানেই কেউ মৃত্যুবরন করছে তাকেই গোসল করানোসহ দাফন করতে ছুটে যাচ্ছেন এ সময়ের মানবতার আস্থার প্রতিক জুয়েল প্রধান। তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে একজন জনপ্রিয় ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে কাশিপুর তথা নারায়ণগঞ্জে। জুয়েল প্রধান তিনি বহগুনেগুনান্মিত একজন ব্যাক্তি যাকে দেখেলে মনে হয়না ব্যাক্তিটি এতো গুনেগুনান্মিত। এদিকে তিনি 16ই মে কাশিপুর কিন্ডারগার্ডেন এন্ড হাইস্কুলের পরিচালক হিসেবে সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের স্কুলের ডেকে তাদের সকল সম্মানী পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার আগ পর্যন্ত স্কুল ছুটি ঘোষণা করলেন।

লকডাউনে কর্মহীন মানুষের দূঃখ কষ্ট সয়তে না পেরে তিনি নানান কর্মসূচি উদ্যেগ নেন তারই ধারাবাহিকতায় স্কুলটির শিক্ষকদের পাওনা বুঝিয়ে দিলেন। এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি বলেন আমি রাজনীতি করি অসহায় মানুষের জন্য, আমি সমাজ সেবা করি গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য, দাফন কাফন করি আল্লাহ খুশি করতে । সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মৃত্যুর স্বাদ প্রতিটি মানুষকে নিতেই হবে সেটা আজ বা কাল। একজন মানুষ মরবে আর আক্রান্ত হবো সে ভয়ে তার দাফন সম্পন্ন হবে না সেটা কি মানুষের কাজ। আমার কাশিপুর ইউনিয়নের ২,৬,৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে ইতিমধ্যে প্রায় ৮ জন মৃত মানুষের গোসল ও দাফন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তিনি বলেন, শুধু লাশের গোসল বা দাফনই নয় তাদেরকে বিনামুল্যে কাফনের কাপড়সহ যাবতীয় জিনিষ গুলো দিচ্ছি আমি ও আমার সহযোদ্ধা পঞ্চায়েত কমিটির সাধারন সম্পাদক আহমেদ হোসেন রাজুর পক্ষ থেকে। আমরা এ দুইভাই মিলে সকল মৃত ব্যক্তির কাফন ও দাফনের ব্যবস্থা করে যাবো সর্বদা।

তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জননেতা সাংসদ শামীম ওসমানের নির্দেশে এই মহামারী করোনা ভা্ইরাস মোকাবেলায় সামিল হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আসলে সকলেরই সুযোগ কিংবা ভাগ্য হয়না অসহায় মানুষের সেবা করতে, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে সেই তৌফিক দিয়েছে বলেই আমি অসহায়দের পাশে দাড়াতে পেরেছি । জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনায় বলেছেন এদেশের মানুষ না খেয়ে মরবেনা ঠিক তেমনি ফতুল্লার কাশিপুরের মানুষ গুলো না খেয়ে মরবেনা, আমি আমার সাধ্য মতে মানুষের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে সম্মিলিত ভাবে এই মহামারি করোনা ভা্ইরাস মোকাবেলা করবো একসাথে। কথায় আছে দশের লাঠি একের বুঝা ।

পরিস্থিতে অবনতি হলে সকলে মিলে মিশেই কাজ করে যেতে হবে এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে এদেশ এগিয়ে যাবে। এদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ তাই এদেশের মানুষের পাশে আছেন আজকের সফল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সব কিছু মোকাবেলা করবেন। আপনারা সকলেই প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করুন তিনি যেন এই মহামারী মোকাবেলায় সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

LEAVE A REPLY