দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও মারা গেছেন ২২ জন

0
11

নিউজ ডেস্ক:  দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও মারা গেছেন  ২২ জন। এর মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। এ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল ৬৭২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ২ হাজার ৩৮১ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৪৯ হাজার ৫৩৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮১৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১০ হাজার ৫৯৭ জন।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৫২টি ল্যাবে বর্তমানে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় মোট ১৩ হাজার ১০৪ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। এখান থেকে ১১ হাজার ৪৩৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ২৬৯টি।

নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

সোমবার (৩১ মে) শনাক্ত হয় ২ হাজার ৫৪৫ ও মারা যায় ৪০ জন।

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১, ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩, ২২ মে ১৬৯৮, ২৩ মে ১,৮৭৩, ২৪ মে ১,৫৩২, ২৫ মে ১৯৭৫, ২৬ মে ১,১৬৬, ২৭ মে ১,৫৪১, ২৮ মে ২,০২৯, ৩০ মে ২৫২৩, ৩১ মে ১,৭৬৪ ও ১ জুন ২,৫৪৫ জন শনাক্ত হয়।

সারাবিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। করোনা সার্বক্ষণিক তথ্য রাখা, জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুসারে, সোমবার (১ জুন) সকাল পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ লাখ ৬৫ হাজার ১৮১ জন।

সোমবার (১ জুন) সকাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৫ জন।

এরই মধ্যে বিশ্বের ২১৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ প্রাণঘাতী ভাইরাস।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ লাখ ৮৯ হাজার আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার জনের।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যে সময়ে লকাডাউন জারি করেছিল তার আরও এক সপ্তাহ আগে যদি লকডাউন জারি করত, তবে অন্তত ৩৬ হাজার লোকের প্রাণ বেঁচে যেত।

করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে ব্রাজিলে। সেখানে ৫ লাখ ১৪ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত। মৃত্যুর সংখ্যায় চতুর্থ। দেশটিতে করোনায় ২৯ হাজার ৩১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এরপরে তৃতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত রাশিয়ায়। সেখানে ৪ লাখ ৫ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৯৩ জন মানুষ। মৃতের সংখ্যা ১৪ তম রাশিয়া।

চতুর্থ সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাজ্যে। দেশটিতে ২ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত। মৃতের সংখ্যার দিক দিয়ে দেশটি দ্বিতীয়। সেখানে করোনায় মারা গেছেন ৩৮ হাজার ৫৭১ জন মানুষ।

LEAVE A REPLY