ছাত্র ছাত্রীদের হৈ উল্লাসে নারায়ণগঞ্জ কমার্স কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত

0
31

স্টাফ রিপোর্টার: ছাত্র ছাত্রীদের হৈ উল্লাসের মধ্য দিয়ে জাক জমকভাবে নারায়ণগঞ্জ কমার্স কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়।
বুধবার ১২ই মার্চ সকাল ১১টায় উত্তর চাষাঢ়াস্থ নারায়ণগঞ্জ কমার্স কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, এতে সাবেক তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ ও এন সি সি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড.শিরিন বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এড. সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সামসুল ইসলাম ভুইয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিসি’র ভাইস প্রিন্সিপাল সালমা বেগম,সাংবাদিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ,দৈনিক অপরাধ রিপোর্ট পত্রিকার সম্পাদক খ.মাসুদুর রহমান দিপু, এন সিসি’র প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন,অমিত মজুমদার,মুজিবুল হক রাজিব, রুসানা শারমিন পলিন, মোঃ ফারুক হোসেন রাজু,হোসনে আরা পান্নামজাহিদুল ইসলাম জানি,মঈন ইসলাম, রেবেকা সুলতানা,আতিয়ার জাহান শান্তা,ইউসুফ হোসেন, আলিমুজ্জামান,হাসানুজ্জামান মনির, মৌসুমি সরকার ও নিউলি আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন শিক্ষা না থাকলে কোন জাতি উন্নতি সাধন করতে পারে না তাই শিক্ষার উপর গুরুত্বরোপ বেশি বেশি দিতে হবে।

তিনি ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন যারা স্কুল থেকে কলেজে উঠেছো তারা ইতিহাস জানার চেষ্টা করবা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা জানার চেষ্টা করকা তাহলেই বুঝতে পারবে বঙ্গবন্ধু কে ছিল। সভাপতি প্র.শিরিন বেগম বলেন জীবনে বড় কিছু হতে হলে শিক্ষাকে প্রধান্য দিতে হবে পাশাপাশি জ্ঞান অর্জনে উচ্চ শিক্ষিত হবে যেমনটি ছিল বঙ্গবন্ধু তিনি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আজকের প্রধানমন্ত্রী তিনিও একজন শিক্ষিত নারী তাই তোমাদেরকে মানুষ হতে হবে। এই কলেজের সুনাম ধরে রাখতে তোমাদের অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হবে তাহলেই তোমরা একদিন রাষ্টের বড় কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বলেন তার জন্ম উৎসবে আনন্দর কিছু নেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্ব মহামারী রুপে ধারণ করে এবং বাংলাদেশেও সতর্কতার লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা মহানভবতায় মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠান পূনবিন্যাস করেছেন সেজন্য এখনই আনন্দ উৎমব না করে তার আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মাগফেরাত কামনা করবো । বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালবাসতেন তাই কমলমতি শিশুদের নিয়ে ভাল কোন অনুষ্ঠান কিংবা অসহায় শিশুদের পাশে দাড়ানোটা সকলের দায়িত্ব। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পিদের গান পরিবেশন ও বই পুরস্কার দেওয়া হয়।

LEAVE A REPLY